আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় চারু ও কারুকলা দ্বিতীয় অধ্যায় নমুনা প্রশ্ন
চারু ও কারুকলা দ্বিতীয় অধ্যায় নমুনা প্রশ্ন
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
১। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর দেশের রাষ্ট্রভাষার ঘোষণা কোথায় দেন?
ক. করাচিতে
খ. পাঞ্জাবে
গ. ঢাকায়
ঘ. সিন্ধুতে
২। চারুকলা ইনস্টিটিউট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ক. ১৯৪৮
খ. ১৯৫২
গ. ১৯৬৮
ঘ. ১৯৬৯
৩। ‘দোপেয়াজা’ কোন শিল্পীর ছদ্মনাম ?
ক. কাজী আবদুর রউফ
খ. কাজী আবুল কাশেম
গ. বিজন চৌধুরী
ঘ. মুর্তজা বশীর
৪। শিল্পীরা কেন নবান্ন উৎসবকে শহরে পালন করতে শুরু করে?
ক. সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে
খ. সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে শহরের পরিবেশে ছড়িয়ে দিতে
গ. আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি গর্ববোধে উদ্বুদ্ধ করতে
ঘ. গ্রাম ও শহরের সংস্কৃতির দূরত্ব ঘোচাতে
৫। পাক শাসকগোষ্ঠী ধর্মের দোহাই দিয়ে বাঙালিদের সংস্কৃতিচর্চায় বাধা দেওয়ার বিরুদ্ধে চিত্রশিল্পীরা সংস্কৃতির কোন বিষয়টিকে প্রতিবাদ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন?
ক. নবান্ন উৎসব
খ. মঙ্গল শোভাযাত্রা
গ. আলপনা
ঘ. বৈশাখী উৎসব
৬। ‘খেলাঘর’ কী?
ক. ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান
খ. ক্রীড়া সামগ্রীর দোকান
গ. সাংস্কৃতিক সংগঠন
ঘ. শিশু সংগঠন
৭। ‘বাংলার মায়েরা মেয়েরা সকলেই মুক্তিযোদ্ধা’ শীর্ষক পোস্টারটি কোন শিল্পীর আঁকা ?
ক. কামরুল হাসান
খ. দেবদাস চক্রবর্ত্তী
গ. কাইয়ুম চৌধুরী
ঘ. প্রাণেশ মণ্ডল
সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
১। চারু ও কারুকলা ইনস্টিটিউট বা প্রথম গভর্নমেন্ট আর্ট ইনস্টিটিউট কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? প্রতিষ্ঠাতা শিল্পীদের নাম উল্লেখ করে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও ।
২। ২১-এর প্রভাতফেরিতে আলপনা ও পরবর্তী সময়ে আলপনার ব্যবহার বিষয়ে লেখ।
৩। ঢাকা শহরে প্রথম নবান্ন উৎসব বিষয়ে সংক্ষেপে বর্ণনা দাও।
৪। স্বাধীনতা ও বিপ্লবী চিত্রের মিছিল সম্পর্কে লেখ ।
৫। পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য লেখ ।
৬। চারুকলার পথ যাত্রায় প্রথম একযুগে যে- কয়েকজন চিত্রশিল্পী চারুকলাকে বিকশিত করার জন্য অশেষ অবদান রেখেছেন তাঁদের নাম লেখ ।
৭। চিত্রশিল্পীরা কোন কোন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থেকে জনগণের দাবি আদায়ে সহযোগিতা করেছেন?
৮। আমাদের সংস্কৃতির গৌরবময় দিকগুলো সম্পর্কে তোমার মতামত ব্যক্ত কর ।
৯। বাংলাদেশের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে বিভিন্ন সংগঠন ও শিল্পীদের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখ ।
১০ । অসহযোগ আন্দোলনে চিত্রশিল্পীরা যে সকল ছবি এঁকেছিলেন সেগুলোর বিষয়বস্তু উল্লেখ কর।
আরও দেখুন :

